ট্রেডিং থেকে আবেগ মুছে ফেলা যায় না। যে লেখাই আপনাকে “শৃঙ্খলা বজায় রাখুন” বলে, সেটা ফলাফলের বর্ণনা দিচ্ছে, পদ্ধতির নয়। ভেতরে অন্য কিছু ঠিকঠাক কাজ করলে বাইরে থেকে সেটাকেই শৃঙ্খলা বলে মনে হয়।
যা আসলে কাজ করে, তা শুনতে যতটা মনে হয় তার চেয়ে সংকীর্ণ। দুটি মানসিক অবস্থা একটা ট্রেডিং প্ল্যান ভেঙে দেয়। তারা প্ল্যান ভাঙে উল্টো দুই দিকে, আর তাদের সমাধানও উল্টো। বাকি প্রায় সবকিছুই এই দুটোর কোনো একটার রূপ।
যে ট্রেডে লোভ ছদ্মবেশে এসেছিল
একবার পরপর তিনটা লসের ট্রেডের পর আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল ভয় নয়। নিয়েছিল লোভ। টাকাটা তাড়াতাড়ি ফেরত পেতে আমি সাইজ দ্বিগুণ করেছিলাম, পেছনে কোনো টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস ছাড়াই। সেটাতেও লস হলো।
সেই মুহূর্তে বুঝেছিলাম, মার্কেট আমার আবেগের কথা জানে না, আর তা নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথাও নেই। মার্কেট আমাকে শাস্তি দিচ্ছিল না, আর আমার কাছে তার কোনো ঋণও ছিল না।
এখন যে মুহূর্তে টের পাই সিদ্ধান্তটা লোভ বা ভয় নিচ্ছে, মাথা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আমি স্ক্রিন বন্ধ করে রাখি।
লক্ষ করার মতো ব্যাপার হলো, তখন ওটাকে লোভ বলে মনে হয়নি। মনে হয়েছিল দায়িত্ব নিচ্ছি, কিছু একটা ঠিক করছি। এই দুই অবস্থারই সমস্যা এটাই। কোনোটাই নিজের পরিচয় দিয়ে আসে না। তারা আসে যুক্তিসংগত সিদ্ধান্তের পোশাক পরে, আর সে কারণেই এদের চেনার উপায় হতে হবে যান্ত্রিক, নিজের অনুভূতি খেয়াল করার ওপর নির্ভর করে নয়।
ভয় আর লোভ একই সমস্যা নয়
বেশিরভাগ পরামর্শ আবেগকে একটাই জিনিস ধরে নিয়ে একটাই ওষুধ দেয়, সাধারণত “একটু বিরতি নিন”। কিন্তু দুই অবস্থা প্ল্যানের ক্ষতি করে উল্টো উপায়ে, আর একটার জন্য বানানো সমাধান অন্যটাকে আরও খারাপ করে দিতে পারে। ভীত ট্রেডারকে সাহসী হতে বলা আর লোভী ট্রেডারকে সাহসী হতে বলা একই নির্দেশ নয়।
| এই মুহূর্তে | ভয়ে আপনি | লোভে আপনি |
|---|---|---|
| এন্ট্রির সময় | ঠিকঠাক সেটআপও বাদ দেন, বা দ্বিধা করতে করতে মুভটা চলে যায় | কোনো সেটআপ ছাড়াই ঢুকে পড়েন, বা আগেই সরে যাওয়া দামের পেছনে ছোটেন |
| সাইজ বাছাইয়ের সময় | এত ছোট সাইজে ট্রেড করেন যে ফলাফলের কোনো মানে থাকে না | নিজের সীমা ছাড়িয়ে যান, কারণ এই ট্রেডটাকে নিশ্চিত মনে হচ্ছে |
| লাভের ট্রেড ধরে রাখার সময় | টার্গেটের সামান্য অংশ নিয়েই আগেভাগে বন্ধ করে দেন | আরও পাওয়ার আশায় টার্গেট পেরিয়েও ধরে রাখেন |
| লসের ট্রেড ধরে রাখার সময় | জমে যান আর আশা করেন দাম ফিরে আসবে | গড় দাম ভালো দেখাতে আরও যোগ করেন |
| একটা লসের পর | কয়েক দিন ট্রেডিং বন্ধ রাখেন, ভালো সেটআপগুলোও বাদ দিয়ে | সঙ্গে সঙ্গে আবার ট্রেড করেন, আরও বড় সাইজে |
| নিজেকে যে গল্প বলেন | “আমি সাবধান হচ্ছি” | “আমি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি” |
শেষ সারিটা দুবার পড়ুন। দুটো বাক্যই একজন বিবেচক মানুষ বলে থাকেন। কোনোটাই প্রমাণ হিসেবে গণ্য নয়, কারণ আপনি এগুলো বলবেন ঠিক সেই পরিস্থিতিতে, যখন এগুলো সবচেয়ে কম সত্য।
আপনি কোনটার মধ্যে আছেন, কীভাবে বুঝবেন
অনুভূতির ওপর যেহেতু ভরসা করা যায় না, তাই আচরণ দেখুন। এগুলো এমন জিনিস যা আপনি চোখে দেখতে পারেন, আর আগে নিজের কাছে সৎ হওয়ার দরকার ছাড়াই কয়েক সেকেন্ডে যাচাই করতে পারেন।
| নিজেকে যা করতে দেখছেন | কোন অবস্থা | কী করবেন |
|---|---|---|
| কয়েক সেকেন্ড পরপর পজিশন দেখছেন | ভয় | একটা প্রাইস অ্যালার্ট সেট করে ট্যাবটা বন্ধ করুন। চার্টের আপনাকে দরকার নেই |
| টার্গেটের অনেক আগেই লাভের ট্রেড বন্ধ করতে ইচ্ছে করছে | ভয় | কিছুই না। টার্গেটটা বেছেছিলেন শান্ত অবস্থায়, আর তখন আপনি বেশি নির্ভরযোগ্য ছিলেন |
| লসের ট্রেডের ঠিক পরেই বড় সাইজ নিতে চাইছেন | লোভ | সেদিনের মতো থামুন। এটাই সবচেয়ে দামি পড়ে |
| কেন ঢুকছেন তা না লিখেই এন্ট্রি নিচ্ছেন | লোভ | আগে বাক্যটা লিখুন। অস্পষ্ট হলে কোনো ট্রেড নয় |
| নিশ্চিত মনে হচ্ছে | লোভ | সাইজ অর্ধেক করুন। নিশ্চয়তা একটা অনুভূতি, তথ্য নয় |
| লাভ হোক বা লস, পজিশন বন্ধ হলে স্বস্তি লাগছে | ভয় | পজিশনটা বেশি বড় ছিল। এটা সাইজের সমস্যা, সাহসের নয় |
শেষেরটাই এই লেখার সবচেয়ে কাজের লাইন। স্বস্তি একটা মাপকাঠি। ট্রেড বন্ধ করে যদি হালকা লাগে, তাহলে আপনি এমন বোঝা বইছিলেন যা নিয়ে পরিষ্কারভাবে ভাবা যায় না, আর কোনো পরিমাণ মানসিক প্রশিক্ষণই ভুল সাইজ ঠিক করতে পারে না।
ভয় নিয়ে কী করবেন
পজিশন এত ছোট রাখুন যে একঘেয়ে লাগে
স্ক্রিনের সামনে ভয় প্রায় সবসময়ই ছদ্মবেশে থাকা সাইজের সমস্যা। যে পজিশন স্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যেও শান্তভাবে ধরে রাখতে পারেন, সেটাই সঠিক সাইজ। যে পজিশনের জন্য প্রতিটি টিক দেখতে হয়, সেটা সঠিক সাইজ নয়, সেটআপ যত ভালোই দেখাক। সাইজ কমালে মনে হয় ট্রেডটা ছেড়ে দিচ্ছেন। আসলে উল্টো। সাইজ কমানোই আপনাকে ট্রেডটা সত্যিই ধরে রাখতে দেয়।
আগে নেওয়া সিদ্ধান্তটাই বহাল রাখুন
ভয় মূলত এক্সিটে আঘাত করে। এন্ট্রির আগে যে টার্গেট ঠিক করেছিলেন, সেটা বেছেছিল আপনারই আরও শান্ত, আরও ভালোভাবে জানা এক রূপ। টার্গেটের 40%-এ আগেভাগে বন্ধ করতে চাওয়া রূপটার কাছে তথ্য বেশি নয়, কম। আপনি যদি বারবার নিজের টার্গেট অগ্রাহ্য করেন, তাহলে সেটা জার্নালে লিখে গোনার বিষয়, মুহূর্তের মধ্যে তর্ক করার বিষয় নয়।
সাবধানতা আর এড়িয়ে যাওয়াকে আলাদা করুন
পরিস্থিতি ঠিক নেই বলে একটা সেটআপ বাদ দেওয়া বিচারবুদ্ধি। আগেরটায় লস হয়েছে বলে বাদ দেওয়া ভয়। ভেতর থেকে দুটো হুবহু এক রকম লাগে। পরে এদের আলাদা করার একমাত্র উপায় লিখে রাখা কারণ, আর ট্রেডিং জার্নাল রাখার পক্ষে যুক্তিও এটাই।
লোভ নিয়ে কী করবেন
সাইজ ঠিক করুন সেশনের আগে, সেশন চলাকালীন নয়
লোভ সাধারণত আপনার স্ট্র্যাটেজি বদলায় না। বদলায় আপনার সাইজ, আর সেটা করে একটা একটা ট্রেড ধরে, যাতে কোনো একক ধাপকে অযৌক্তিক মনে না হয়। মার্কেট খোলার আগেই সংখ্যাটা ঠিক করুন আর সেটাকে চূড়ান্ত বলে ধরুন, ঠিক যেমন অ্যালার্মের সময়টাকে ধরেন।
নিশ্চয়তাকে সতর্কসংকেত হিসেবে দেখুন
যে ট্রেডগুলো সবচেয়ে খারাপ যায়, সেগুলো খুব কমই এমন ট্রেড যেগুলো নিয়ে আপনার সন্দেহ ছিল। সেগুলো বরং সেই ট্রেড, যেগুলো নিয়ে আপনি নিশ্চিত ছিলেন, কারণ নিশ্চয়তাই যাচাইগুলো সরিয়ে দেয়। আমার নিজের সবচেয়ে খারাপ দিনটা শুরু হয়েছিল এমন একটা সিগন্যাল দিয়ে, যেটা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না।
লস পোষাতে কখনো সাইজ বাড়াবেন না
লসের পর সাইজ বাড়ানো ট্রেডিংয়ের একক সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অভ্যাস, আর এ নিয়ে আলাদা আলোচনা আছে কীভাবে রিভেঞ্জ ট্রেডিং থামাবেন পাঠে। সংক্ষেপে: প্রতিটিতে 1% করে পাঁচটা সাধারণ লসের ট্রেডের পর ব্রেক-ইভেনে ফিরতে আপনার লাগবে মোটামুটি 5%। প্রতিটি লসের পর সাইজ দ্বিগুণ করলে লাগবে মোটামুটি 39%।
যে নিয়ম দুটোকেই সামলায়
ওপরের সবকিছু একটা নীতিতে এসে দাঁড়ায়। সিদ্ধান্তগুলো নিন যখন আপনি শান্ত, আর সেগুলোকে এতটা যান্ত্রিক করে ফেলুন যে স্ক্রিনের সামনে বসা আপনি সেগুলো নিয়ে আর নতুন করে দর-কষাকষি করতে না পারেন।
বাস্তবে এর মানে, সেশন শুরুর আগে চারটি সংখ্যা লিখে রাখা:
- সাইজ, যা অনুভূতি দিয়ে বাছা নয়, শতাংশ হিসেবে হিসাব করা।
- এন্ট্রির শর্ত, এমন নির্দিষ্ট একটা বাক্যে যা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
- এক্সিট, টার্গেট আর যে লেভেলে ধারণাটা বাতিল হয়ে যায়, দুটোই।
- যে বিন্দুতে সেদিনের মতো থামবেন, টাকার অঙ্কে।
খেয়াল করুন, এর কোনোটাই আবেগ নিয়ে নয়। আপনি অন্যরকম অনুভব করার চেষ্টা করছেন না, সেটা হুকুম দিয়ে করা যায় না। আপনি চেষ্টা করছেন, যে মুহূর্তে আপনার বিচারবুদ্ধি সবচেয়ে দুর্বল, তখন আপনার হাতে থাকা সিদ্ধান্তের সংখ্যা কমাতে। এটা একটা ডিজাইনের সমস্যা, আর ডিজাইনের সমস্যার সমাধান করা যায়।
যখন ব্যাপারটা আর শৃঙ্খলার থাকে না
এই বিষয়ে প্রতিটি লেখা “আবেগ সামলান” বলেই থেমে যায়। তারা কেউ যা বলে না, সেটা বলা দরকার: কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটা আদৌ আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নয়।
Hakansson, Fernandez-Aranda ও Jimenez-Murcia-র 2021 সালে Frontiers in Psychiatry-তে প্রকাশিত গবেষণা জানাচ্ছে, আর্থিক মার্কেটের প্রায় 8% বিনিয়োগকারী তাঁদের ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যাজনক জুয়ার মানদণ্ড পূরণ করতে পারেন, আর দ্রুত ট্রেডিংকে গুরুতর ঋণ ও মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার একটা স্বীকৃত পথ হিসেবে বর্ণনা করে।
সৎ পরীক্ষাটা এই নয় যে ট্রেড করার সময় আপনার কেমন লাগে। পরীক্ষাটা হলো, ট্রেডিং আপনার জীবনের বাকি অংশের সঙ্গে কী করছে:
- বাড়িভাড়া, বিল বা ঋণ শোধের জন্য দরকারি টাকা দিয়ে ট্রেড করছেন।
- কাছের মানুষদের কাছ থেকে লসের পরিমাণ লুকিয়ে রাখেন।
- একাধিকবার থামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কিন্তু থামেননি।
- এটা আপনার ঘুম, কাজ বা সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে।
এর কয়েকটা যদি সত্যি হয়, তাহলে ওপরের চারটি সংখ্যা টিকবে না, কারণ সেগুলো এর জন্য তৈরি নয়। এটা জুয়ার মতোই একই এলাকা, একই ধরনের সহায়তায় এতে কাজ হয়, আর একজন ডাক্তার বা জুয়ার সমস্যা নিয়ে কাজ করা কোনো সহায়তা সেবার সঙ্গে কথা বলা একটা বিবেচনাপ্রসূত প্রথম পদক্ষেপ, বাড়াবাড়ি কিছু নয়।
সাধারণ প্রশ্ন
ট্রেডিং থেকে আবেগ পুরোপুরি কীভাবে দূর করব?
দূর করা যায় না, আর যে ট্রেডাররা দাবি করেন তাঁরা পেরেছেন, তাঁরা আসলে অনুভূতির অনুপস্থিতি নয়, ভালো সিস্টেমের বর্ণনা দিচ্ছেন। বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হলো আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখে আবেগের মুহূর্তটাকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলা, মুহূর্তটা আসা বন্ধ করা নয়। পুরো অটোমেশন সিদ্ধান্তগুলো সরিয়ে দেয়, কিন্তু আবেগকে মুছে ফেলে না, বরং সরিয়ে নিয়ে যায় অন্য জায়গায়: কখন সিস্টেমটা বন্ধ করবেন, সেই প্রশ্নে।
ভয় আর লোভ নিয়ে ওয়ারেন বাফেট কী বলেছিলেন?
তাঁর বিখ্যাত কথাটা হলো, “অন্যরা যখন লোভী, তখন ভীত হোন, আর অন্যরা যখন ভীত, তখন লোভী হোন” (ওয়ারেন বাফেট)। এর মানে কী, তা পরিষ্কার থাকা দরকার, কারণ কথাটা ভুল সমস্যার ক্ষেত্রে উদ্ধৃত করা হয়। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে পুরো মার্কেটের মনোভাবের বিপরীতে যাওয়ার কথা বলছেন। মঙ্গলবার বিকেলে একটা লসের ট্রেডে আপনার নিজের প্রতিক্রিয়া কীভাবে সামলাবেন, সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলছেন না, অথচ এই লেখাটা সেটা নিয়েই। এই দুটো সারাক্ষণ গুলিয়ে ফেলা হয়।
95% ট্রেডার কেন লস করেন?
নির্দিষ্ট এই সংখ্যাটা লোকমুখে চলা গল্প, যদিও নথিভুক্ত সংখ্যাগুলো এর থেকে খুব দূরে নয়, আর সেগুলো ঠিকঠাকভাবে আলোচনা করা হয়েছে কেন আপনি বারবার টাকা হারান পাঠে। আর দোষের কতটা আবেগের ঘাড়ে, সে প্রশ্নে বলি: আবেগ খুব কমই সরাসরি কারণ। আবেগ বদলায় সাইজ আর টাইমিং, আর ক্ষতিটা করে সেই সাইজ আর টাইমিংই।
ডেমো অ্যাকাউন্ট কি এতে সাহায্য করে?
প্ল্যাটফর্ম শেখার জন্য, হ্যাঁ। এর জন্য, প্রায় একেবারেই না। ভয় আর লোভ হলো টাকা ঝুঁকিতে থাকার প্রতিক্রিয়া, আর ডেমো অ্যাকাউন্টে কিছুই ঝুঁকিতে থাকে না। খুব ছোট একটা লাইভ অ্যাকাউন্ট এক সপ্তাহে আপনার নিজের আচরণ সম্পর্কে যা শেখায়, একটা বড় ডেমো অ্যাকাউন্ট এক বছরেও তা শেখাবে না।
সংক্ষেপে
দুটি অবস্থা, উল্টো দুই দিক। ভয় লাভের ট্রেড আগেভাগে কেটে দেয়, সেটআপ বাদ দেয় আর লসের ট্রেডে জমে যায়। লোভ সাইজ বাড়িয়ে দেয়, দামের পেছনে ছোটে আর লসের ট্রেডে আরও যোগ করে। কোনোটাই নিজের পরিচয় দিয়ে আসে না, তাই অনুভূতি নয়, আচরণ দেখুন।
তারপর শান্ত থাকা অবস্থায় চারটি সংখ্যা ঠিক করুন, আর সবকিছু এমনভাবে সাজান যাতে স্ক্রিনের সামনে বসা মানুষটার আর কিছুই ঠিক করার না থাকে।